কুকুর একটামাত্র রুটি খেয়েও সারা জীবন বিশ্বস্ত থাকে

যা কিছুই ঘটছে তার জন্য প্রথমেই মেনে নিচ্ছি ভাগ্যকে, তারপর কর্মফলকে। চেষ্টার দ্বারাই সব কিছু হয় না, কপালেও থাকতে হয়। সব কর্মের ফল আবার ইন্সট্যান্ট আসে না। একজনের হত্যার অপরাধে ফাঁসি হয়েছিল। কিন্তু সে নির্দোষ ছিল। ফাঁসির দিন বলেছিল এই হত্যাটা আমি করিনি কিন্তু যুবক বয়সে আমি একটা হত্যা করেছিলাম। আজ তার শাস্তি পেলাম। মৃত্যুপথ যাত্রি মিথ্যা বলত না কিন্তু আজ বলে। অবজেকটিভ যুগে ইয়েস নো বা অন্যের তৈরী করা ৪ টা অপশনের মধ্যে সঠিক এন্সারে টিক দেয়া অনেক কঠিন। শেষ সময়েও সত্য বলা তাই অনেকের হয়ে উঠে না যদি তাতে তার সারা জীবনের অর্জিত মানসম্মান হারানোর ভয় থাকে অথবা যদি তাকে ন্যরেশনের সুযোগ না দিয়ে হাতে অবজেকটিভ পেপার ধরিয়ে দেয়া হয়। আত্নসমলোচনা কি এতই সহজ! তাই তো কে যেন প্রশ্ন করেছিল আমরা যে ভার্চুয়াল লাইফে প্রতিবাদের ঝড় তুলে দেই, বাস্তবে তার কত % এপ্লাই করি জানতে মন চায়? অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেকোন প্রতিবাদকে তাই বলে যে স্বাগত জানাব না তাও না। কিন্তু কি ফ্যক্টর হল সেটা কি হিরোইসম, ইগো, আইডলজি, নিঃস্বার্থ পরোপকার, সুবিধাভোগ, লাইম লাইট না কি জাস্ট টু ড্র এটেনশন।
একই অন্যায় রিপিট হতেই থাকবে কিন্তু আমরা প্রতিবাদ করতেই থাকব। ফল আসুক বা না আসুক। অন্যায়কারীকে কুকুরের সাথে তুলনা করব। যদিও কুকুর একটামাত্র রুটি খেয়েও সারা জীবন বিশ্বস্ত থাকে। কিন্তু আমি থাকি না। আমরা মানুষ। আমরা যে সহযেই সব কিছু ভুলে যাই।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: