বৃক্ষরোপন

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন- “এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সিজদারত আছে।” (সূরা আর-রাহমান, আয়াত নং-৬)। অন্য আয়াতে এ সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে- “ওরা কি জমিনের দিকে লক্ষ্য করে না? আমি তাতে নানা রকমের কতো উৎকৃষ্ট গাছপালা উদ্গত করেছি।” (সূরা আশ্-শু’আরা,, আয়াত নং-৭)। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো ইরশাদ করেন- “তোমরা যে বীজ বপন করো সে সম্পর্কে চিন্তা করেছ কি? তোমরা কি একে অঙ্কুরিত করো, না আমি অঙ্কুরিত করি?” (সূরা আল-ওয়াকিয়াহ, আয়াত নং-৬৪-৬৫)। “তিনিই (আল্লাহ) আকাশ হতে বারি বর্ষণ করেন। এতে তোমাদের জন্য রয়েছে পানীয় এবং তা থেকে জন্মায় উদ্ভিদ যাতে তোমরা পশুচারণ করে থাক।” (সূরা আন-নাহল, আয়াত নং-১০)।

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সালল্লালল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- “যে ব্যক্তি বৈধভাবে সীমা লঙ্ঘন ব্যতীত কোন ঘর তৈরি করে অথবা বৈধভাবে সীমা লঙ্ঘন ব্যতীত একটি চারা রোপণ করে, যতদিন জগৎ তা দিয়ে উপকৃত হবে, ততদিন তার আমলনামায় আল্লাহর পক্ষ থেকে সাওয়াব অব্যাহত থাকবে।” বিশিষ্ট সাহাবী হজরত আনাস (রা বর্ণনা করেছেন, রাসূলুলল্লাহ সালল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- “যে কোন মুসলমানই ফলবান গাছ লাগাবে, তা থেকে যা খাওয়া হবে, যা কিছু চুরি হবে কিংবা বন্য জন’ বা পাখি যা খাবে, তা তার জন্য সাদকাহস্বরূপ হবে। আর কেউ তা থেকে ছিঁড়ে নিলেও কিয়ামতের দিন পর্যনত্ম তা তার জন্য সাদ্কাহরূপে গণ্য হবে।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

উম্মুল মুমেনীন হজরত আয়েশা (রা হতে বর্ণিত হাদীস থেকে জানা যায়, প্রিয়নবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সালল্লাম তাঁকে নির্দেশ প্রদান করেন- “তুমি যদি কিয়ামতের আগমন সম্পর্কে নিশ্চিত হও, সে সময় যদি তোমার হাতে একটি গাছের চারা থাকে যা রোপণ করা যায়, তবে তা তুমি রোপণ কর।”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: