সন্তানের লালন-পালন

আল্লাহ তায়ালা মেহেরবানী করিয়া এত অজস্র নিয়ামত দান করেছেন যা হিসাব করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহপাক কোরআনে করীমে ইরশাদ ফরমান,
‘যদি আল্লাহর নিয়ামত গণনা করতে চাও তা গণনা করা যাবে না।’
এ নেয়ামতের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যাকে আল্লাহ মেহেরবানী করিয়া নেক সন্তান দান করেছেন সে বড় ভাগ্যবান। আর এই নিয়ামত হাছিল করার উদ্দেশ্য হল বিবাহ শাদির অন্যতম লক্ষ্য।
আল্লাহ পাক ফরমান
‘দারিদ্র্যর ভয়ে তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা কর না’। সূরা বনী ইসরাঈল -৩১
তোমাদের সন্তান-সন্ততি ও পরিবার সকল সদস্যকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে। বিশেষভাবে ছেলেমেয়েকে সঠিকভাবে প্রতি পালন ও আদব-কায়েদার দিকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে যেন পরবর্তীতে বালেগ হয়ে ইসলাম বিধর্মী কোন কাজ কর্মে লিপ্ত না হয়। (সূরা তোয়া-হা)
হাদীস শরীফে আছে হুজুর (সাঃ) ফরমান-
অন্য আর একটি হাদীসে রয়েছে।
‘কোন পিতা তার সন্তানদেরকে যা উপহার দেয় তার মধ্যে সর্বোত্তম উপহার হচ্ছে আদব দেয়া’ (তিরমিযী)
এ সমস্ত হাদিস ও কোরআনের আয়াত দ্বারা একথা অতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে যে, কোন পিতা মাতা তার সন্তানদেরকে সর্ব প্রথম ইসলামী জ্ঞান, শিক্ষা ও আদব আখলাক্ব এবং তালীম তরবীয়্যাতকে অগ্রে শিক্ষা দিতে হবে। আর তাই আসুন আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে প্রথমে ইসলামি জ্ঞানে জ্ঞানী করে তারপর দুনিয়াবী ও পার্থিব শিক্ষা দেই। দুনিয়াবী শিক্ষা দেয়া ইসলামে নিষেধ নেই। কিন্তু কোন শিক্ষাটাকে অগ্রাধিকার দেব তা লক্ষণীয় বিষয়। আপনি আল্লাহর হুকুম ও নবী (সাঃ) তরীক্বায় থাকিয়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি বানান। কোন অসুবিধা নেই আর এসব ছেড়ে আকাশে পৌঁছালে ও কোন উপকার হবে না। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন। আমিন।

Source http://prothom-aloblog.com/users/base/sadi/

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: