চিন্তা-ভাবনা, পেরেশানী, অধৈর্য, অস্থিরতা !

চিন্তা-ভাবনা, পেরেশানী, অধৈর্য, অস্থিরতা দূর করার জন্য উপায় কি হতে পারে ?
মনের আজে বাজে খেয়াল, পেরেশানি মানুষের খুব একটা কমন ব্যাপার যা কিনা শয়তান মানুষের মনের ভিতর ঢালতে থাকে, বিশেষ করে মুমিনের অন্তরের মধ্যে। এটাকে বলে অছঅছা।
হাদিস শরীফে বর্নিত আছে, যে মনের অছঅছার জন্য পড়তে হয়
আউজুবিল্লা হিমিনিশ শাইতোয়ানির রাজীম (বুখারী ও মুসলিম )
অছঅছার টের পাওয়ার সাথে সাথে অন্য কথা বা কাজের দিকে মনোনিবেশ করার চেষ্টার মাধ্যমেও অছঅছা দূর হয়।
এক হাদিসে এসেছে যে আমান তু বিল্লাহি ওয়া রাসুলিহী পড়বে
আরেক হাদিসে এসেছে যে ৩ বার আমান তু বিল্লাহি পড়বে।
কেহ কেহ অতি উত্তম তদবীর বর্ননা করেছেন যে যখনই মনের মধ্যে কোন দুশ্চিন্তা উদয় হবে তখনই খুশী হতে হবে। শয়তান কখনো মুসলমানের, ঈমানদারের খুশী হওয়া দেখতে পারে না। তাই অস্থিরতা ও ব্যাকুল হবার বদলে তোমাকে খুশী হতে দেখে শয়তান জ্বলে পুড়ে উঠবে। নিয়ম হল ঘরে টাকা পয়সা থাকলেই চোর ডাকাত আসবে, আর শুন্য ঘরে চোর ডাকাত আসবে না। তাই অছঅছা থাকলেই বুঝতে হবে তোমার মধ্যে মহা মুল্যবান সম্পদ ঈমান ও নেক আমল আছে আর এই জন্যই শয়তান তোমার মনের মধ্যে অছঅছার মাধ্যমে ঢুকতে চায় যাতে সে তোমার ঈমান আমল চুরি করতে পারে। এহেতু হাদীসে অছঅছাকেই ঈমান বলা হয়েছে (মুসলীম শরীফ)
শেষ করি হুমায়ুন আহমেদের মহ্নান্ন ( সরি বানান টা ভুল হলে ) উপন্যাস দিয়ে। ইতিহাস সম্মৃদ্ধ উপন্যাস। আমার ভালো লেগেছে। সেই উপন্যাসে ৩ জন মৌলভি আসে। যাদের কারো এন্ডিংই ভাল দেখানো হয় নি। এর মধ্যে এক জন মৌলভির ক্যারাকটারটা উনি এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন যে শয়তান তাকে ধোঁকা দিচ্ছে আর সে তা মার্ক করছে আর আল্লাহর কাছে সাহায্য চাচ্ছে। ঘরে খাবার নাই তাও সে শুকরিয়া আদায় করছে কেননা আমাদের নবীজী ( সাঃ ) ও অনেক দিন অভুক্ত থেকেছেন। কিন্তু আমরা কি পারি শয়তানের ধোঁকা ধরতে ?

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: