মহিমাময় আল্লাহর অপার অনুগ্রহ

সূরা নাফ আয়াত ৯-১১, সূরা আল মুমিনুন আয়াত ১৮-১৯, সূরা আর রূম আয়াত ৪৮, সূরা রাফ আয়াত ১৭, সূরা যুমার আয়াত ২১, সূরা মুরসালাত আয়াত ১-৪ ইত্যাদির সারাংশ হিসেবে আল্লাহ বলেন, আমি বাতাস, প্রবাহিত করি যা ভারবাহী মেঘমালাকে বহন ও সঞ্চালন করে, বিচ্ছিন্ন করে, টুকরো টুকরো করে অঞ্চলে অঞ্চলে পাঠিয়ে দেই এবং দেখতে পাও সে মেঘ থেকে ফোটা ফোটা বৃষ্টি পড়ে এবং তা মৃত জমিতে প্রবেশ করিয়ে বিভিন্ন শস্যাদি, তৃণ, সবজি, ফলাদি উপন্ন করি মানুষ ও জানোয়ারের জন্য। সূরা ওয়াকিয়াতে আয়াত ৬৮-৭০ এ আল্লাহ প্রশ্ন রেখে বলেন, তোমরা যে পানি পান কর সে সমন্ধে চিন্তা করেছে কি? “তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামাও না আমি বর্ষণ করি? আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত করে দিতে পারি। তবু তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না?” সূরা আল ফুরকান আয়াত ৫৩ এ আল্লাহ বলেন আমি দুই সাগর সৃষ্টি করেছি। একটির পানি মিষ্টি/ সুপেয়, অপরটির লোনা।সবই মানুষের কল্যাণে।

প্রায় সব সমুদ্রের পানিই তিক্ত নোনা। তাতে রয়েছে অক্সিজেন-হাইড্রোজেন ও লবণ। আল্লাহ তার কুদরতি শক্তি বলে সূর্য থেকে বিকীর্ণ ২০০-২৫০ সেলসিয়াস তাপে কেবল অক্সিজেন-হাইড্রোজেন সম্বলিত পানিই বাষ্পাকারে তুলে নিচ্ছেন আর লবণ সমুদ্রেই রেখে দিচ্ছেন। মানুষ শিল্প প্রক্রিয়ায় এ লবণ পানিকে খাদ্যোপযোগী লবণে পরিণত করে আমাদের খাদ্য সম্ভারকে সু-স্বাদু ও মজাদার করে থাকে। তবে আল্লাহ কিন্তু তার সার্বভৌম ক্ষমতা বলে ১২০০-১৪০০ সেলসিয়াস তাপে লবণকেও বাষ্পাকারে তুলে লবণ বৃষ্টিপাত করতে পারতেন। তা হলে লবণের কারণে কোন তৃণলতা, গাছপালা-শাকসবজি-ফলমূল কিছুই উপন্ন হতো না। অন্যদিকে এ অত্যুচ্ছ তাপে সমুদ্রের পানি শুকে যেত। ফলে মানব-প্রানি-উদি্‌ভদ জীবন বিপন্ন হয়ে পরতো। তাই দয়াশীল আল্লাহ তাদের সবার কল্যাণ কল্পে তা করেননি। অন্যদিকে সমুদ্রের উপরিভাগে লবণ না থাকলে শীতকালে সমুদ্রের পানি বরফ হয়ে যেত। ফলে, সমুদ্রের অভ্যন্তরে অবস্থিত মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণি তীব্র হিম পানিতে ধ্বংস হয়ে যেত। সমুদ্রের পানিতে তীব্র লবণ থাকায় পানি সহজে জমে না। ও তীব্র শীতল হয় না। তাই মাছ ও জলজপ্রাণি পানির অভ্যন্তরে মানুষের কল্যাণে বেঁচে থাকে। আল্লাহ তায়ালার এ সব কুদরতি রহমতের জন্য তিনি সূরা ও কিয়াতে মানুষকে শোকর গুজারি করতে বলেছেন। আসুন আমরা আমাদের দয়াল প্রভুর এ সব অনুগ্রহের জন্য তার সকাশে সবিনয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশে আনত হই।

মুহাম্মদ কাসেম

Permission is taken from Source http://islamicbanglabd.blogspot.com/

সূরা নাফ আয়াত ৯-১১, সূরা আল মুমিনুন আয়াত ১৮-১৯, সূরা আর রূম আয়াত ৪৮, সূরা রাফ আয়াত ১৭, সূরা যুমার আয়াত ২১, সূরা মুরসালাত আয়াত ১-৪ ইত্যাদির সারাংশ হিসেবে আল্লাহ বলেন, আমি বাতাস, প্রবাহিত করি যা ভারবাহী মেঘমালাকে বহন ও সঞ্চালন করে, বিচ্ছিন্ন করে, টুকরো টুকরো করে অঞ্চলে অঞ্চলে পাঠিয়ে দেই এবং দেখতে পাও সে মেঘ থেকে ফোটা ফোটা বৃষ্টি পড়ে এবং তা মৃত জমিতে প্রবেশ করিয়ে বিভিন্ন শস্যাদি, তৃণ, সবজি, ফলাদি উপন্ন করি মানুষ ও জানোয়ারের জন্য। সূরা ওয়াকিয়াতে আয়াত ৬৮-৭০ এ আল্লাহ প্রশ্ন রেখে বলেন, তোমরা যে পানি পান কর সে সমন্ধে চিন্তা করেছে কি? “তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামাও না আমি বর্ষণ করি? আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত করে দিতে পারি। তবু তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না?” সূরা আল ফুরকান আয়াত ৫৩ এ আল্লাহ বলেন আমি দুই সাগর সৃষ্টি করেছি। একটির পানি মিষ্টি/ সুপেয়, অপরটির লোনা।সবই মানুষের কল্যাণে।

প্রায় সব সমুদ্রের পানিই তিক্ত নোনা। তাতে রয়েছে অক্সিজেন-হাইড্রোজেন ও লবণ। আল্লাহ তার কুদরতি শক্তি বলে সূর্য থেকে বিকীর্ণ ২০০-২৫০ সেলসিয়াস তাপে কেবল অক্সিজেন-হাইড্রোজেন সম্বলিত পানিই বাষ্পাকারে তুলে নিচ্ছেন আর লবণ সমুদ্রেই রেখে দিচ্ছেন। মানুষ শিল্প প্রক্রিয়ায় এ লবণ পানিকে খাদ্যোপযোগী লবণে পরিণত করে আমাদের খাদ্য সম্ভারকে সু-স্বাদু ও মজাদার করে থাকে। তবে আল্লাহ কিন্তু তার সার্বভৌম ক্ষমতা বলে ১২০০-১৪০০ সেলসিয়াস তাপে লবণকেও বাষ্পাকারে তুলে লবণ বৃষ্টিপাত করতে পারতেন। তা হলে লবণের কারণে কোন তৃণলতা, গাছপালা-শাকসবজি-ফলমূল কিছুই উপন্ন হতো না। অন্যদিকে এ অত্যুচ্ছ তাপে সমুদ্রের পানি শুকে যেত। ফলে মানব-প্রানি-উদি্‌ভদ জীবন বিপন্ন হয়ে পরতো। তাই দয়াশীল আল্লাহ তাদের সবার কল্যাণ কল্পে তা করেননি। অন্যদিকে সমুদ্রের উপরিভাগে লবণ না থাকলে শীতকালে সমুদ্রের পানি বরফ হয়ে যেত। ফলে, সমুদ্রের অভ্যন্তরে অবস্থিত মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণি তীব্র হিম পানিতে ধ্বংস হয়ে যেত। সমুদ্রের পানিতে তীব্র লবণ থাকায় পানি সহজে জমে না। ও তীব্র শীতল হয় না। তাই মাছ ও জলজপ্রাণি পানির অভ্যন্তরে মানুষের কল্যাণে বেঁচে থাকে। আল্লাহ তায়ালার এ সব কুদরতি রহমতের জন্য তিনি সূরা ও কিয়াতে মানুষকে শোকর গুজারি করতে বলেছেন। আসুন আমরা আমাদের দয়াল প্রভুর এ সব অনুগ্রহের জন্য তার সকাশে সবিনয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশে আনত হই।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: