হাদীস পড়ি জীবন গড়ি পর্ব ৫

Permission taken from Source   http://prothom-aloblog.com/users/base/lovelu1977/

এসো নূরের পথে

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

জান্নাতবাসীরা তাদের নিয়ামতরাজি উপভোগে নিমগ্ন থাকবে। হঠাঃ উপর থেকে তাদের প্রতি নূরের জ্যেতি এসে পড়বে। মাথা উঠিয়ে তাকাতেই তারা দেখতে পাবে উপর দিক থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তশরীফ এনেছেন।

অতপর তিনি বলবেনঃ আসসালামু আলাইকুম হে জান্নাতবাসীরা! নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এটাই হচ্ছে কুরআনের নিম্নোক্ত বাণীর তাৎপর্যঃ দয়াময় রবের পক্ষ তাদের প্রতি সালাম দেয়া হবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতপর আল্লাহ তাদের দিকে দৃষ্টি দেবেন এবং তারাও তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকবে। যতোক্ষণ তারা আল্লাহর দিকে তাকিয়ে থাকবে ততোক্ষণ অন্য কোনো নিয়ামতের দিকে তাদের দৃষ্টি থাকবেনা। অতপর আল্লাহ্‌ ও তাদের মধ্যে অন্তরাল সৃষ্টি করে দেয়া হবে। কিন্তু তাদের উপর এবং তদের ঘর দোরে আল্লাহর নূর ও বরকত স্থায়ী হয়ে থাকবে। (ইবনে মাজাহ : জাবির)

নিজের মুক্তির ব্যবস্থা নিজে করো

আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর কুরআনের এই আয়তটি নাযিল হলোঃ “আর তোমার আত্মীয় প্রতিবেশীদের সতর্ক করো” তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কুরাইশদের একত্র করে) বললেনঃ

হে কুরাইশ! তোমরা নিজেদের জাহান্নামের আগুন থেকে বাচাও। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষার ব্যাপারে আমি তোমাদের কোনোই উপকার করতে পারবোনা।
হে আবদে মানাফের বংশধর! আমি আল্লাহর আযাব থেকে তোমাদের বিন্দু মাত্র রক্ষা করতে পারবোনা।
হে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব। আল্লাহর আযাব থেকে আপনাদের আমি বিন্দু মাত্র বাঁচাতে পারবোনা।
হে রসূলের ফুফু সুফিয়া! পরকালে আল্লাহর শাস্তি থেকে আমি আপনাদের রক্ষা পারবোনা।
হে মুহাম্মাদের কন্যা ফাতিমা! আমার ধন সম্পদ থেকে তোমার যা ইচ্ছে চেয়ে নিতে পারো। কিন্তু পরকালের আযাব থেকে (কেবল কন্যা হবার কারণে) তোমাকে আমি রক্ষা করতে পারবোনা। (সহীহ বুখারী)

ব্যাখ্যাঃ হাদীসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ হাদীস থেকে জানা গেলো, স্বয়ং নবী পাক নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত তাঁর আত্মীয় স্বজনকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখেননা, তারা যদি নিজেরাই নিজেদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর ব্যবস্থা না করে। ঈমান ও আমল ছাড়া তারা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপারিশ পাওয়ার যোগ্য হতে পারেনা। অথচ বর্তমানে মুসলিম সমাজ শাফায়াত সংক্রান্তঅলীক ধারণা কল্পনার পিছে ছুটছে। তাদের এ ধারণা কল্পনা পূর্বতন জাহিলী যুগের অন্ধ অনুসরণ ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই এখানে কুরআন সুন্নাহর আলোকে সংক্ষিপ্তকারে শাফায়াতের সঠিক ধারণা পেশ করার প্রয়োজন মনে করছি।

এসো আল্লাহর ছায়ায়

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যেদিন আল্লাহর ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবেনা, সেদিন আল্লাহ তায়ালা নিম্নোক্ত সাত ব্যক্তিকে ছায়া দান করবেনঃ

১. সুবিচারক ন্যায়পরায়ণ নেতা,
২. ঐ যুবক, যে আল্লাহর আনুগত্য ও দাসত্বের জীবন যাপন করে বড় হয়েছে,
৩. ঐ ব্যক্তি, যার অন্তর ঝুলে আছে মসজিদের সাথে,
৪. ঐ দুই ব্যক্তি, যারা আল্লাহকে খুশী করার জন্যে একে অপরকে ভালোবাসে, এ উদ্দেশ্যে তারা একত্র হয় আর এ উদ্দেশ্যেই বিছিন্ন হয়,
৫. ঐ ব্যক্তি, যাকে কোনো উচ্চ বংশীয় সুন্দরীও আহবান জানালে সে বলেঃ আমি আল্লাহকে ভয় করি,
৬. ঐ ব্যক্তি, যে এমন গোপনে আল্লাহর পথে ব্যয় করে যে, তা তার ডান হাত কি ব্যয় করলো, তার বাম হাত পর্যন্ত জানেনা,
৭. আর ঐ ব্যক্তি, যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে অশ্রুপাত করে। (বুখারী, মুসলিম)

সো আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে

কিয়ামতের দিন বিচার ফায়সালা হয়ে যাবার পর যারা বেহেশতী হবে, তারা যখন বেহেশতে চলে যাবে, তখন আল্লাহ তাদেরকে তার সব অনুগ্রহরাজি দান করবেন । তাদের প্রাপ্য সমস্ত পুরস্কার তাদের দান করবেন। তারা সেগুলো ভোগ করতে থাকবে। দারুন খুশী ও আনন্দের মধ্যে কাটাতে থাকবে। এরি মধ্যে আল্লাহ তাদের শুনাবেন আরো একটা বিরাট আনন্দের খবর। সেটি কি?

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ তায়ালা জান্নাতবাসীদের সম্বোধন করে বলবেনঃ হে জান্নাতবাসী!
তারা জবাব দেবেঃ লাব্বায়িকা ওয়াসাদাইকা হে আমাদের রব!
তিনি বলবেনঃ তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছো?
তারা বলবেঃ হে আমাদের মালিক! আমরা কেন সন্তুষ্ট হবোনা? আপনি তো আমাদের এতো দিয়েছেন, যা আপনার অন্য কোনো সৃষ্টিকে দেননি! তখন আল্লাহ বলবেনঃ আমি এর চাইতেও উত্তম জিনিস তোমাদের দান করবো । তারা বলবেঃ ওগো আমাদের মনিব! তোমাদের প্রতি আমার সন্তোস চিরস্থায়ী করে দিলাম। আর কখনো আমি তোমাদের উপর অসন্তুষ্ট হবোনা। (সহীহ বুখারী : আবু সায়ীদ খুদরী)

আল্লাহকে দেখতে চাও?

“নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন বেহেশতবাসীগণ বেহেশতে প্রবেশ করবে, তখন মহান আল্লাহ বলবেনঃ তোমরা আমার কাছে আরো অতিরিক্ত কিছু আশা করো কি? তারা বলবে, আমরা এর চেয়ে বেশী আর কি কামনা করতে পারি? আমাদের মুখমন্ডল কি হাস্যেজ্জ্বল করা হয়নি? আমাদেরকে কি জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়নি এবং (জাহান্নামের) আগুন থেকে মুক্তি দেয়া হয়নি? নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতপর আল্লাহ তা’য়ালা পর্দা সরিয়ে দেবেন। তখন তারা পরিষ্কার দেখতে পাবে মহান আল্লাহকে। বেহেশতের অধিবাসীদের কাছে আল্লাহকে দেখার চেয়ে অধিক প্রিয় কিছু আর তখন থাকবেনা। (সহীহ মুসলিম : সুহাইব)]

জান্নাত জাহান্নামের পরিচয়

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন। আল্লাহ যখন জান্নাত ও জাহান্নাম তৈরী করলেন, তখন জিব্রাইলকে জান্নাতে পাঠালেন। বললেন, যাও জান্নাত দেখে এসো এবং জান্নাতবাসীদের জন্যে সেখানে আমি যেসব অনুগ্রহরাজি তৈরী রেখেছি, সেগুলোও দেখে এসো।
জিব্রাইল এলেন। জান্নাত দেখলেন। তিনি আরো দেখলেন যেসব নিয়ামত, যেগুলো জান্নাতবাসীদের জন্যে আল্লাহ তৈরী করে রেখেছেন্‌ এরপর আল্লাহর কাছে ফিরে এসে বললেন, তোমার ইযযতের শপথ করে বলছি, এমন জান্নাতের খবর যে শুনবে, সেই তাতে প্রবেশ না করে থাকবেনা।
অতপর আল্লাহর নির্দেশে জান্নাতকে দুঃখকষ্ট ও বিপদ মুসীবত দিয়ে ঘিরে দেয়া হলো। এবার আল্লাহ বললেনঃ হে জিব্রাইল! আবার যাও, গিয়ে জান্নাত আর জান্নাতবাসীদের জন্যে আমি তাতে যেসব জিনিস তৈরী করে রেখেছি দেখে এসো। জিব্রাইল পুনরায় জান্নাত দেখতে। এসে দেখলেন, দুঃখকষ্ট আর বিপদ মুসীবত দিয়ে তাকে ঘিরে দেয়া হয়েছে।। এবার তিনি ফিরে এসে আল্লাহকে বললেন, আপনার মর্যাদার শপথ, আমার ভয় হচ্ছে কেউই এ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা।
অতপর আল্লাহ বললেনঃ এবার গিয়ে জাহান্নাম দেখে এসো এবং দেখে এসো (সেইসব ভয়ংকর শাস্তির ব্যবস্থা) যা তার অধিবাসীদের জন্যে তাতে তৈরী করে রেখেছি। তিনি গিয়ে জাহান্নামের (ভয়ংকর) দৃশ্য দেখলেন। ফিরে এসে বললেনঃ হে আল্লাহ! তোমার ইযযতের কসম! যে-ই এ (ভয়ংকর) জাহান্নামের সংবাদ শুনবে, সে কখনো তাতে প্রবেশ করতে প্রস্তুত হবেনা।
অতপর আল্লাহর নির্দেশে কামনা বাসনা ও লোভ লালসা দিয়ে জাহান্নামকে ঘিরে দেয়া হলো। এবার আল্লাহ্‌ বললেনঃ জিব্রাইল! পুনরায় গিয়ে জাহান্নাম দেখে এসো। নির্দেশমতো তিনি গেলেন এবং সেখান থেকে ফিরে এসে আরয করলেনঃ তোমার ইযযতের কসম হে আল্লাহ! আমার আশংকা হচ্ছে সকল মানুষই জাহান্নামে প্রবেশ করবে এবং কেউই তা থেকে রক্ষা পাবেনা। (তিরমিযী : আবু হুরাইরা)
সার কথা : হাদীসটির সার কথা হলো এই যে, আল্লাহ জান্নাত ও জাহান্নাম তৈরী করে রেখেছেন। জান্নাতকে পরম সুখ ও আনন্দ এবং সীমাহীন নিয়ামত দ্বারা পরিপূর্ন করে রেখেছেন। কিন্তু তাকে চরম দুঃখ কষ্ট ও বিপদ মুসীবত দিয়ে তিনি পরিবেষ্টিত করে রেখেছেন তার পথ ভীষণ কন্টকাকীর্ণ। তা লাভ করার জন্যে প্রয়োজন কঠিন সাধনা, পরম ধৈর্য ও দৃড়তা। জাহান্নামকে বীভৎস ভয়াবহ আযাবের স্থানরূপে তৈরী করে রেখেছেন। কিন্তু লোভ লালসা ও কামনা বাসনা দিয়ে তা পরিবেষ্টিত করে দিয়েছেন। তার পথ বড়ই মনোহরী লোভনীয়। তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যে ও প্রয়োজনক কঠোর সাধনা এবং পরম ধৈর্য ও দৃঢ়তা অবলম্বন।

নবীর উপদেশ মেনে নাও

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিখ্যাত সাহাবী মুয়ায বিন জাবাল (রা) বলেন, একদিন প্রিয় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাতে ধরলেন। কিছু পথ চললেন। তারপর বললেনঃ

“মুয়ায! আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছিঃ ১. আল্লাহকে ভয় করবার ২. সত্য কথা বলবার ৩. প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করবার ৪. আমানত ফিরিয়ে দেবার ৫. খিয়ানত না করবার ৬. এতীমের প্রতি দয়া করবার ৭. প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষা করবার ৮. রাগ দমন করবার ৯. নম্র ভাষায় কথা বলবার ১০. সালাম বিনিময় করবার এবং ১১. নেতার সাথে লেগে থাকবার।” (তারগীব ও তারহীব : মুয়ায বিন জাবাল রাঃ)

মুসলমানদের অধিকার জেনে নাও

প্রিয় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
“মুসলমানের উপর মুসলমানের ছয়টি অধিকার আছে : ১. সাক্ষাত হলে তাকে সালাম দেবে ২. ডাকলে সাড়া দেবে ৩. উপদেশ চাইলে কল্যাণময় উদেশ দেবে ৪. হাঁচি দিয়ে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বললে তুমি ‘ইয়ার হামকাল্লাহ’ বলবে ৫. রোগাক্রান্তহলে সেবা যত্ন করবে এবং ৬. মারা গেলে তার গোসল, জানাযা, কবর ইত্যাদির ব্যবস্থা করবে।” (মুসলিম : আবু হুরাইরা)

ব্যাখ্যাঃ এগুলো মুসলমানের উপর মুসলমানের সামাজিক অধিকার। এই পারস্পরিক অধিকারগুলো পূর্ণ করার ব্যাপারে প্রত্যেক মুসলমানেরই সচেতন থাকা উচিত। এই সব অধিকার পূর্ণ না করলে সমাজ ধ্বংস হয়ে যেতে বাধ্য। মুসলমানের উপর মুসলমানের অনেক অধিকার আছে। এই হাদীসে ছয়টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নবীর দলে এসো

যে ব্যক্তি সত্যিকার মুসলিম, সেই নবীর দল বা নবীর উম্মতের লোক। কিন্তু যে চারটি কাজ করবেনা, সে কিন্তু নবীর দলে যাবেনা। প্রিয় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

“সে আমার দলের লোক নয়, যে বড়দের সম্মান ও শ্রদ্ধা করেনা, ছোটদের দয়ামায়া ও স্নেহমমতা করেনা, আলো কাজ করতে বলেনা এবং মন্দ কাজ করতে নিষেধ করেনা।”(তিরমিযী : আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস)

নিজের মর্যাদা বাড়াও

সব মানুষই চায়, নিজের মর্যাদা বাড়ুক। কিন্তু মর্যাদা কিসে বাড়ে তা কি জানো? হ্যাঁ, আমাদের প্রিয় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি একদিন তাঁর সাহাবীদের জিজ্ঞেস করেন? “আমি কি তোমাদের বলবো, কিসে মানুষের মর্যাদা বাড়ায়?” তাঁরা বললেনঃ “অবশ্যি বলুন, হে আল্লাহর রসূল!” তখন তিনি বললেন:
“মর্যাদাদানকারী জিনিসগুলো হলোঃ ১. যে তোমার সাথে মুর্খের মতো ব্যবহার করবে, তুমি তার সাথে বিজ্ঞের মতো আচরণ করবে। ২. যে তোমার প্রতি অবিচার করবে, তুমি তাকে ক্ষমা করে দেবে ৩. যে তোমাকে বঞ্চিত করবে, তুমি তাকে দেবে ৪. যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, তুমি তার সাথে সম্পর্ক জুড়বে।” (তারগীব ও তারহীব : উবাদা ইবনে সামিত)

2 responses to this post.

  1. Posted by মোঃ আজিজুর রহমান on November 26, 2009 at 7:07 am

    খুব ভাল। ভাইয়া চালিয়ে যান।অনেক কিছু জানতে পারলাম।

    Reply

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: