অনুসন্ধিতসা এবং আরো কিছু (উনিশের জাল)

Permission taken from Source  http://prothom-aloblog.com/users/base/tasnima/

তো পবিত্র কোরআনুল করীমে ১৯ সংখ্যাটি বিভিন্নভাবে এসেছে প্রত্যক্ষভাবে উল্লেখ করার মাধ্যমে আর পরোক্ষভাবেও । আরবী ও হিব্র“ ভাষার অক্ষরগুলির নিজস্ব একটা সংখ্যামান থাকে। বিশেষ বিশেষ সংখ্যা গাণিতিক মান ছাড়াও বিশেষ র্অথ প্রকাশ করে থাকে। উনিশকে তেমনি একটি সংখ্যা ধরা হয়েছে যা সমস্ত কুরআন শরীফের জন্য প্রযোজ্য। এবং তার যথেষ্ট কারণও আছে । সুরা মুদ্দাচ্ছিরের ৩০ নং আয়াতটি এরকম- “ ইহার উপর উনিশ। ” আয়াত ২৪-২৯-এ অবিশ্বাসীদের সাবধান করা হয়েছে দোযখের আগুন সর্ম্পকে যাতে তারা কোরানকে যাদু বলে অভিহিত না করে। তারই পরে উল্লেখ আছে উক্ত আয়াতটির । এখানে উনিশ মানে কি ? কেন উনিশকেই চয়ন করলেন আল্লাহসুবহানাহুতাআলা শাস্তি র্বণনার জন্য ।
গণিতের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে উনিশ অত্যন্ত তাৎর্পযর্পূণ। কারণ এর শুরু এক দিয়ে যা গণিতের প্রথম সংখ্যা ও শেষ নয় দিয়ে যা শেষ সংখ্যা অর্থাৎ , ১৯ এ রয়েছে গণিতের আলফা ও ওমেগা ।
পবিত্র কোরানের সবচেয়ে শুরুও আয়াতটি হচ্ছে “ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ”। হরফ হিসাব করলে আয়াতটিতে – বা , সিন , মিম , আলিফ , লাম , লাম , হা [ ছোট ] , আলিফ , লাম , রা , হা [ বড় ] , মিম , নুন , আলিফ , লাম , রা , হা [ বড় ] , ইয়া , মিম -মোট ১৯টি হরফ আছে ।
আয়াতটিতে ৪টি শব্দ আছে – ইসম [ নাম ] – ১৯ বার
আল্লাহ [ এমন কেউ যিনি একমাত্র ইবাদতের যোগ্য ] – ২৬৯৮ বার [ ১৯*১৪২ ]
আর-রাহমান [ পরম করুণাময় ] – ৫৭ বার [ ১৯*৩ ]
আর-রাহিম [ অনন্তদাতা ] – ১১৪ বার [ ১৯*৬ ] ব্যবহার হয়েছে ।
এবং সবগুলো সংখ্যাই ১৯ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। নবীজীর মত ১জন নিরক্ষর মানুষ এত ভালভাবে এ কয় জায়গায় ও আরো অনেক জায়গায় এত র্নিভুলভাবে ১৯-র দিকে খেয়াল রেখে কি করে ১টা পুরো বই লিখতে পারেন ? পারেন না , কারণ এটি প্রেরিত হয়েছে স্বয়ং তার তরফ থেকে যিনিই একমাত্র ইবাদতের যোগ্য।
“ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ”- এ আয়াতটিকে কোরানের সীল বলা হয় যেমন অনেক গুরুত্বর্পূণ নথিপত্র সীল দিয়ে বৈশিষ্টর্পূণ করে দেয়া হয় তেমনি। সমস্ত কোরানে মোট ১১৪ বার এটি ব্যবহৃত হয়েছে যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য আগেই উল্লেখ করেছি। আর এ সমস্ত হিসাব করেছে কোন পক্ষপাতদুষ্ট মানবিক মস্তিষ্ক নয় বরং আজকের যুগের সবচেয়ে র্নিভরযোগ্য যন্ত্র ।

কোরানের সীল হল “ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ”- এ চমৎকার র্প্রাথনাসূচক আয়াতটি , যা সকল সূরার প্রথমে উল্লেখ থাকলেও কোরানের নবম সূরা তাওবার শুরুতে তা অনুপস্থিত। কিন্তু কেন ? এ প্রশ্নটি আমারও মাথায় আসেনি কখনো কোরান তেলাওয়াতের সময় ! কারণটি হল সূরা তাওবায় র্বণিত হয়েছে আল্লাহসুবহানাহুতাআলার তরফ থেকে তাঁর র্নিধারিত জীবনবিধান মেনে না চলার কঠোর পরিণতি। তাঁর দয়াদ্র চিত্তের প্রকাশক র্প্রাথনাসূচক আয়াতটিকে এজন্যই তিনি স্থান দেননি সূরা তাওবার প্রারম্ভে। কিন্তু তবুও ১১৪টি সীলের উল্লেখের বিষয়টির তো সমাধান হলনা। তার সমাধান আল্লাহসুবহানাহুতাআলা দিয়েছেন সূরা নমলের ২৯-৩১তম আয়াতে। আয়াতগুলির দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে সেখানে র্বণিত হয়েছে হযরত সোলায়মান [আ ] ও রাণী বিলকিসের ঐতিহাসিক ঘটনার কথা –
২৯. তিনি [ রাণী বিলকিস ] বলিলেন , “হে আমার মন্ত্রীর্বগ; আমার কাছে নিশ্চয়ই এমন একটি চিঠি পাঠানো হইয়াছে যাহা সম্মানের যোগ্য।”
৩০. “ইহা সোলায়মান [আ ] র তরফ হইতে আসিয়াছে এবং ইহা [ শুরু হইয়াছে ] ।”
৩১. [ চিঠির সারর্মম এই যে ] “তোমরা আমার [ আল্লাহর ] বিরুদ্ধে অহংকার করিওনা বরং পরির্পূণরূপে আমার [ আল্লাহর ] কাছে আত্মসর্মপণ করো।”
সূরা নমলের ৩০তম আয়াতে কোরানের সীল অর্ন্তভুক্ত না করলেও কিন্তু যে ঘটনার র্বণনা দেয়া হয়েছে তা ভালোভাবেই বোঝা যেত। তথাপি আল্লাহসুবহানাহুতাআলা সূরা নমলের ৩০তম আয়াতে সীলটি অর্ন্তভুক্ত করেছেন এবং ১১৪টি সীলের সংখ্যা র্পূণ করে দিয়েছেন। উপরন্তু সীলটি অর্ন্তভুক্ত হওয়ার দরুণ ইসম , আল্লাহ , আর-রাহমান , আর-রাহিম – এ শব্দগুলো মোট যথাক্রমে ১৯ বার , ২৬৯৮ বার [ ১৯*১৪২ ] , ৫৭ বার [ ১৯*৩ ] , ১১৪ বার [ ১৯*৬ ] ব্যবহার হয়েছে সমস্ত কোরানে যার প্রত্যেকটিই ১৯ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য। এতে আমরা মহান আল্লাহতাআলার অপরিসীম দূরদৃষ্টির পরিচয় পাইনা কি? অবশ্যই . . . . আলহামদুলিল্লাহ [ সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য ]।
পবিত্র কোরআনের বেশ কিছু সুরার প্রারম্ভে কিছু অক্ষর বিন্যাস ব্যবহৃত হয়েছে। এই অক্ষর বিন্যাসগুলোকে ‘ মুকাত্তাত ’ বলা হয়ে থাকে। যেমন সুরা বাকারার প্রারম্ভে রয়েছে “ আলিফ লাম মীম ”। এর অর্থ কি তা একমাত্র আল্লাহসুবহানাহুতাআলা জানেন। রাসুল ( সা )ও এ ব্যাপারে কিছু বলেননি। সত্যি বলতে কি , এসব হরফের অর্থ একমাত্র আল্লাহতাআলাই জানেন।
মোট ১৪টি বিভিন্ন হরফ বা র্বণ ১৪টি ভিন্ন ভিন্ন বিন্যাসে ২৯টি সুরার শুরুতে ব্যবহৃত হয়েছে । ১৪+১৪+২৯ = ৫৭ যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য [ ১৯ *৩ ] । ১৪টি র্বণ হল আলিফ , লাম , মিম , রা , কাফ (ছোট ), হা [ ছোট ] , ইয়া , আইন , সোয়াদ , ত্বোয়া , সীন , ক্কাফ (বড় ) , নুন , হা [ বড় ] । কোরানের সীল “ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ”- এ চমৎকার র্প্রাথনাসূচক আয়াতটিতে ১০টি ভিন্ন ভিন্ন হরফ ব্যবহৃত হয়েছে যার মধ্যে ৯টিই আবার মুকাত্তাতে ব্যবহৃত হয়েছে । যে হরফটি মুকাত্তাতে ব্যবহার হয়নি তা হল বা । এই হল মুকাত্তাত আর কোরানের সীলের মধ্যে এক অর্পূব মিল ।
মুকাত্তাতগুলিতে কখনো একটি , কখনো দু’টি , আবার কখনো তিন , চার বা পাঁচটি করে হরফ ব্যবহৃত হয়েছে । এক হরফ বিশিষ্ট মুকাত্তাত আছে সুরা সোয়াদ , সুরা নুন , সুরা ক্কাফ – এ । সুরা ক্কাফ – এর মুকাত্তাত হল ক্কাফ । ক্কাফ অক্ষরটি সুরা ক্কাফ ( ক্কাফ ) আর সুরা শূরার ( হা মিম আইন সীন ক্কাফ ) প্রারম্ভে যে মুকাত্তাত আছে তাতে উল্লেখ আছে । হা মিম আইন সীন ক্কাফ – সুরা শূরার মুকাত্তাতে উল্লেখিত এই হরফগুলি সুরাটিতে ব্যবহৃত হয়েছে মোট ৫৭০ বার যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য ( ১৯*৩০ ) । এবার শুধুমাত্র ক্কাফ অক্ষরের কথা বিবেচনা করা যাক । সুরা ক্কাফ আর সুরা শূরায় মোট ১১৪ বার ক্কাফ হরফটি ব্যবহৃত হয়েছে যা অনতিস্বীর্কাযভাবে ১৯ দ্বারা বিভাজ্য
( ১৯*৬ )। যদি ধরে নেয়া হয় ক্কাফ হরফটি কোরান – এর সংক্ষিপ্তরূপ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে তবে ১১৪ বার উল্লেখ থাকায় তা মোট সুরার সংখ্যার সমান হয়ে যাচ্ছে । এভাবে আল্লাহসুবহানাহুতালা হয়ত তাঁর অসীম মোজেজা আল- কোরানের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আর্কষণ করতে চাচ্ছেন বারবার ।
৫০তম সুরা ক্কাফের ক্ষেত্রে ব্যপারটি একটু ভিন্ন । অবিশ্বাসীদের মতানুযায়ী কিছুক্ষণের জন্য ধরে নেয়া যাক রাসূল ( সা ) কোরানের রচয়িতা ( নাআউযুবিল্লাহ ) , ব্যস কিছুক্ষণের জন্য আর তা তাদের মিথ্যা প্রমাণের জন্যই । ধরা যাক সুরাটি রচনার পর তিনি গুনে দেখলেন একটি ক্কাফ অক্ষর বেশি হচ্ছে , ৫৮টি ক্কাফ অক্ষর হচ্ছে । আর ৫৮ তো ১৯ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৫৭ ঠিকই ১৯ দিয়ে ভাগ যায় । সুতরাং তাঁকে একটি ক্কাফ বাদ দিতে হবে আর সবার আগে , সবচেয়ে সহজে , সুরার প্রত্যেক আয়াতের অর্থ ঠিক রেখে , তিনি যে ক্কাফটি বাদ দেয়ার কথা চিন্তা করতে পারতেন তা হল মুকাত্তাতের ক্কাফ হরফটি । কিন্তু তা করলে আর সুরাটি মুকাত্তাত সম্বলিত সুরাসমূহের তালিকায় থাকে না , সাথেসাথে এতক্ষণের সব হিসাবনিকাশও ভুল প্রমাণিত হবে ।
এই সমস্যার সমাধান রয়েছে সুরা ক্কাফের ১৩তম আয়াতে যেখানে আ’দ , ফিরাউন আর লুত – এর সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যারা নিজেদের মন্দ কাজের প্রতিফলস্বরুপ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল । পবিত্র কোরানে আল্লাহতাআলা ১২ বার লুত সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করেছেন আর প্রত্যেকবার তিনি ব্যবহার করেছেন একই বিশেষণ – কাওমু ; একমাত্র ব্যতিক্রম এই ১৩তম আয়াতটি যেখানে ‘ কাওমু লুত ’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে ‘ ইখওয়ানু লুত ’ শব্দগুলো যার অর্থ লুত- এর ভাইয়েরা বা অনুগামী বা সহগামীরা । ‘ কাওমু লুত ’ শব্দগুলোর অর্থ প্রায় একই . . .লুত – এর স্বজাতি । ঘটনার র্বণনা ও র্অথ কিন্তু একই অবিচ্ছেদ্য উদ্দেশ্য সম্বলিত – লুত সম্প্রদায়ের মন্দকাজ আর তাদের পরিণামের কথা র্বণনা করা । তাহলে কেন এই একটামাত্র স্থানে অন্য আরবী শব্দ ব্যবহৃত হল? কারণ , এখানে যদি ‘ কাওমু লুত ’ শব্দগুলোর পরির্বতে ‘ ইখওয়ানু লুত ’ শব্দগুলো ব্যবহৃত না হতো তবে সুরা ক্কাফে একটা ক্কাফ বেশি হতো , অর্থাৎ , ৫৮টি ক্কাফ হতো আর তা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য নয় . . . .ফলে ১৯- এর হিসাব মিলতো না এক্ষেত্রে। নবীজী (সা ) এর প্রতি সর্ম্পূণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি , তিনি অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন ছিলেননা , অর্থাৎ লিখতে পড়তে পারতেননা আর তা ছিল তাঁকে দেয়া আল্লাহরই আরেক মোজেজা । তাই তাঁর পক্ষে কাগজ কলমে করা ছাড়া মনে মনে অনেক অংক কষে হিসাব করে বের করা যে , কোন আয়াতে র্অথ ঠিক রেখে একটা ক্কাফ কমানো যায় আর শেষ র্পযন্ত ‘ কাওমু লুত ’ শব্দগুলোর পরির্বতে ‘ ইখওয়ানু লুত ’ শব্দগুলো ব্যবহার করলে ১৯- এর হিসাব মিলে যাবে তা বের করা সম্ভব ছিলনা । তাই এতেই প্রমাণিত হয় যে পবিত্র কোরান একমাত্র আল্লাহসুবহানাহুতাআলার রচিত গ্রন্থ , এর রচনায় অন্য কারো কোন অবদান নেই । সাথেসাথে আল্লাহর দূরর্দশিতারও প্রমাণ পাওয়া যায় এতে ।

এক অক্ষর সম্বলিত মুকাত্তাতবিশিষ্ট অন্যতম একটি সুরা হল সুরা সোয়াদ। এ সুরায় ও সপ্তম আর উনিশতম সুরার মুকাত্তাতে উল্লেখ আছে ‘ সোয়াদ ’ হরফটির। মোট ১৫২ বার ব্যবহৃত হয়েছে এই হরফটি এ ক’টি সুরায় আর ১৯*৮ = ১৫২ । অতএব ১৯- এর র্ফমুলা এক্ষেত্রেও অর্ব্যথ ।
উনিশতম সুরার মুকাত্তাত হল কাফ হা ইয়া আ’ইন সোয়াদ যার অক্ষরগুলো এ সুরায় মোট ৭৯৮ বার ব্যবহৃত হয়েছে ।
কাফ – ১৩৭ বার
হা – ১৭৫ বার
ইয়া – ৩৪৩ বার
আ’ইন – ১১৭ বার
সোয়াদ – ২৬ বার
মোট = ৭৯৮ বার
আর অবশ্যই ১৯*৪২ = ৭৯৮।
সপ্তম সুরা আল – আরাফ – এ আলিফ লাম মীম সোয়াদ – মুকাত্তাতের এ হরফগুলি উল্লেখ আছে মোট ৫৩২০ বার আর ১৯*২৮০ = ৫৩২০ । এ সুরার ৬৯তম আয়াতে ‘ বাছতাতান ’ শব্দটির বানান কোরানের অন্যত্র উল্লেখিত এ শব্দের বানানের চেয়ে একটু ভিন্ন । কিভাবে ? এ আয়াতের ‘ বাছতাতান ’ শব্দের বানানে রয়েছে বা , সোয়াদ , তোয়া , তা – এই হরফগুলি। সোয়াদ – এর উপরে উল্লেখ রয়েছে সীন হরফটির। অন্যত্র উল্লেখিত এ শব্দের বানানে সোয়াদ – এর বদলে সীন রয়েছে । ফলে লেখা হয়েছে সোয়াদের মত আর উচ্চারণ হচ্ছে সীনের মত । কিন্তু র্অথ একই থাকছে – দেওয়া বা প্রদান করা , যেমন আমরা আমাদেও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত কিছু কিছু শব্দের বানানে ভুল করলেও অর্থ ঠিকই থাকে , ঠিক তেমনি । ৬৯তম আয়াতে যদি ‘ বাছতাতান ’ শব্দটি সোয়াদ দিয়ে না লেখা হতো তবে একটি সোয়াদ কম হতো আর সোয়াদ নিয়ে উল্লেখিত সকল হিসাব ভুল হয়ে যেত । আল্লাহসুবহানাহুতাআলা সেই সমস্যার কি সুন্দর সমাধানই না দিয়েছেন । আলহামদুলিল্লাহ – সকল প্রশংসা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য । এর ব্যতিক্রম কোরানের কোন কপিতে পাওয়া যাবে না । রাসুলের (সা ) র্নিদেশে যেভাবে মূল কোরান লিখিত হয়েছিল তা আজও সেভাবেই লিখিত আছে এবং আগামীতেও সেভাবেই লিখিত হবে কারণ আল্লাহ বলেছেন “ নিশ্চয় আমি সংবাদ বাহক ( কুরআন ) নাযিল করিয়াছি এবং নিশ্চয় আমি উহাকে ( কলুষতা ও ত্রুটি হইতে ) হেফাজত করিব । ”

সূত্র : কমপিউটার ও আল কুরআন

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: