শুক্রবার সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণা

Permission taken from Source  http://harisur.blogspot.com

শুক্রবার হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এটি মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ। সাপ্তাহিক সমাবেশ। হাজার হাজার বছরের ঐতিহ্য। এটি সমাজের মিলনগাহ। এ দিবসে আছে জুমার নামাজ ও খুতবা। এ নামাজ ও খুতবাই হলো এ দিবসের মূল প্রাণপ্রবাহ। একে ঘিরেই এ দিবসের প্রাণময়তা ও কর্মচঞ্চলতা আলোড়িত হয়েছে। এটি আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক গৌরবময় সংস্কৃতি। এ দিবসে এমন একটি সময় আল্লাহ রেখে দিয়েছেন, যা দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ মুহূর্ত। তাই এর তাৎপর্য সুদূরপ্রসারী।
জুমার নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরে আল্লাহ বলেন­ হে মুমিনরা! শুক্রবার দিন যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (খুতবা ও নামাজের) পানে ছুটে আসো এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। যদি তোমরা বুঝতে পারো (সূরা জুমা)। এ প্রসঙ্গে রাসূল সাঃ বলেছেন­ তোমরা জুমার নামাজে হাজির হও এবং ইমামের কাছে দাঁড়ানোর চেষ্টা করো। (মুসনাদে আহমদ)। এ নামাজের মর্যাদা তুলে ধরে রাসূল সাঃ বলেছেন­ যে ব্যক্তি জুমার নামাজে মসজিদে যায়, তার প্রতিটি কদমে কদমে এক বছর নফল রোজা রাখার সওয়াব লেখা হয়। তিনি আরো বলেছেন­ যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করবে, মসজিদে গিয়ে নফল সুন্নাত নামাজ পড়বে, খুতবা শুনবে ও ইমামের সাথে নামাজ আদায় করবে, দুই জুমার মধ্যবর্তী দিবসে ও তার পরবর্তী তিন দিনের গোনা মাফ হয়ে যায়। তাই তো রাসূল সাঃ জোর তাগিদ দিয়ে বলেছেন­ হে মুমিনগণ! এ দিন আল্লাহ তোমাদের ঈদ বানিয়েছেন। কাজেই এই দিনে গোসল ও মিসওয়াক করা তোমাদের কর্তব্য। (আল মুজাম, আস সগির, তাবারানি)।

মাওলানা মিনহাজুল ইসলাম

কিছুটা সংক্ষিপ্তাকারে

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: