রোযার আভ্যন্তরীণ শর্তসমূহ

Permission taken from Source  http://prothom-aloblog.com/users/base/ebrahim/8

৬টি ব্যাপার দ্বারা রোযা পূর্ণাঙ্গতা প্রাপ্ত হয়। যথা :
(১) চোখের দৃষ্টি অবনত রাখা। মন্দ বিষয় বা কুদৃশ্যের প্রতি দৃষ্টিপাত না করা। হুযুরে পাক (সাঃ) এরশাদ করেছেন, খারাপ বিষয়ের দিকে নজর করা শয়তানের বিষাক্ত একটি তীর সদৃশ। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে এ কাজ পরিত্যাগ করে, আল্লাহ প্রদও বিশেষ ঈমানের বদৌলতে সে অন্তরে এক অবর্ণনীয় স্বাদ অনুভব করে।
(২) বাজে কথা, মিথ্যে কথা, পরনিন্দা, চোগলখুরি, গীবত, অশ্রাব্য অশ্লীল কথা, জুলুম, কলহ, বিবাদমূলক এবং রুক্ষ ও কর্কশ কথা থেকে বিরত থাকা। হাদীসে আছে, পাঁচটি ব্যাপার রোযাদারের রোযা বরবাদ করে দেয় । ১ মিথ্যে বলা ২ চোগলখুরি করা ৩ গীবত করা ৪ মিথ্যে কসম করা ৫ কামভাব নিয়ে দৃষ্টিপাত করা ।
(৩) কুকথা ও অশ্রাব্য বিষয় থেকে কানকে বিরত রাখা । হুজুর (সাঃ) বলেছেন, গীবতকারী ও গীবত শ্রবনকারী উভয়েই পাপের মধ্যে শামিল।
(৪) হাত পা এবং অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোকে মন্দ বিষয়বস্তু থেকে বিরত রাখা ও উদরকে সন্দেহযুক্ত খাবার থেকে পবিএ রাখা ।কেননা দিবাভর হালাল থেকে বিরত থাকার পর হারাম দ্বরা ইফতার করার দ্বারা তার রোযা কিছুই হল না।
(৫) ইফতারের সময় হালাল মাল দ্বারা হলেও উদর পূর্ণ করে না খাওয়া। যেহেতু রোজার উদ্দেশ্য এটা ব্যাহত করে। এগার মাস প্রচুর খাওয়ার পর এক মাস কিছুটা কম খেলে কেউ মারা যাবে না। কিন্তু আমরা ইফতার এবং ছেহরীতে এত বেশী ভোজন করি যে, অন্য মাসেও এত বেশী ভোজনের সুযোগ হয় না।
(৬) রোজা কবুল হয় কিনা এই ভয়ে সব সময় ভীত থাকা। প্রত্যেক ইবাদাতেই এইভাবে ভয়-ভীতি থাকা উচিত।
আমরা সবাই যেন এসব আমল ঠিক রেখে আল্লাহপাকের দরবারে শুদ্ধ রোজা পেশ করতে পারি। আ-মী-ন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: